সর্বশেষ সংবাদঃ

কক্সবাজার সৈকতে নারী হয়রানি করলেই জেল-জরিমানা

নিউজ ডেস্ক:
পৃথিবীর বৃহত্তর সুমদ্র সৈকত কক্সবাজারে নারী পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে বিশেষ পুলিশ বাহিনী গঠন করা হয়েছে। ‘এন্টি ইভটিজিং টিম’ নামে বিশেষ টিমটি নারী পর্যটকদের নিরাপত্তা ও হয়রানি রোধে কাজ করছে।

সৈকতে অনুমতি ছাড়া কোনো নারীর ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ কিংবা উত্ত্যক্ত করলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে। ঈদের ছুটিসব সব সময় নারীদের নিরাপত্তা দিতে এই ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

জানা যায়, শুধু নারী সদস্যদের সমন্বয়ে গড়া ওই টিমে প্রাথমিকভাবে কাজ করছেন ১০ জন নারী ট্যুরিস্ট পুলিশ।
পর্যটন স্পটগুলোকে নারীবান্ধব করতেই এই উদ্যোগ। নিয়মিত টহল টিমের পাশাপাশি নারী ট্যুরিস্ট পুলিশ টহল দেবে পুরো সমুদ্র সৈকত।

সৈকতে কোনো নারী পর্যটক ইভটিজিংয়ের শিকার হলে বা বিনা অনুমতিতে কেউ তাঁর ছবি তুললে, ভিডিও ধারণ বা হয়রানি করলে এন্টি ইভটিজিং টিমকে জানালেই ছুটে যাবেন তারা। এছাড়া ফেসবুক পেজে www.facebook.com মেসেজ দিয়ে অভিযোগ করা যাবে, সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশনে যাবে এন্টি ইভটিজিং টিম।

ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি কার্যক্রম শুরু করা এন্টি ইভটিজিং টিমের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন সিনিয়র এএসপি রায়হান কাজেমী। চাইলে হয়রানির শিকার নারী পর্যটকরা নারীরা রায়হান কাজেমীকে মোবাইল ফোনে (০১৭৬৯৬৯০৭৩৪) যোগাযোগ করে নিজের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।

সৈকতের লাবনী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট, শৈবাল পয়েন্ট, ডায়াবেটিক পয়েন্ট বা দরিয়ানগর সবখানেই উত্ত্যক্ত বা হয়রানির শিকার নারী পর্যটকদের সহায়তা দিতে প্রস্তুত থাকবে এন্টি ইভটিজিং টিম।

এ বিষয়ে রাহয়ান কাজেমী বলেন, ‘আমাদের আওতাধীন সব পর্যটন স্পটে ইভটিজিংকে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা হবে। এখানকার পর্যটন স্পটগুলো হবে শতভাগ নারীবান্ধব।’

তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ।

মন্তব্য করুন

(বিঃ দ্রঃ আপনার ইমেইল গোপন রাখা হবে) Required fields are marked *

*

Shares