সর্বশেষ সংবাদঃ

রামুতে পুত্রের আঘাতে বয়োবৃদ্ধ মা-বাবা আহত: ইউএনও বরাবর অভিযোগ

আমাদের রামু রিপোর্ট:
কক্সবাজারের রামুতে মৌলভী শফিউল আলম নামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের এলাপাতাড়ী আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে তারই জন্মদাতা বয়োবৃদ্ধ মা ও বাবা। এ ঘটনায় বয়োবৃদ্ধ মা গোলজার বেগম রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে গোলজার বেগম উল্লেখ করেন, তাঁর প্রথম পুত্র মৌলভী শফিউল আলম দীর্ঘ ১৯ বৎসর যাবৎ আলাদা ভাবে বসত ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে । সে খুনিয়া পালং ইউনিয়নের ধোয়া পালং আল ফুয়াদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতার পাশাপশি ধোয়া পালং রাস্তার মাথা ষ্টেশনে ঔষধের দোকানের ব্যবসা করে। বয়োবৃদ্ধ মা-বাবার ভরন পোষন করেনা। ৬ সন্তানের মধ্যে ৪ মেয়ের বিয়ে হয়েছে। বৃদ্ধ স্বামী ও ছোট ছেলেকে নিয়ে ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের দক্ষিন খুনিয়া পালং স্বামীর বসত ভিটায় অতিকষ্টে দিনাতিপাত করে আসছে। প্রায় সময় শফিউল আলম তাদেরকে বসত বাড়ি থেকে বের হতে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসতো।

গত ৩১ মে বিকাল সাড়ে ৫ টার সময় বসত ভিটার এটি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে শফিউল আলম তার মা গোলজার বেগম ও পিতা হাজী নুর আহমদকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে বাড়ি থেকে বের হতে বলে। তারা বাড়ি থেকে বের না হলে তাদেরকে এলাপাতাড়ী কিল, ঘুষি, লাথি মারে এবং গলা ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। তাদের শোর চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে এসে বাধা দিলে ভবিষ্যতে তাদের ছোট ছেলেকে হত্যা করে লাশ গুম করার এবং বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেয়।
ছেলের হামলায় বয়োবৃদ্ধ মা ও বাবা গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাদের চিকিৎসা করান।

এঘটনায় গতকাল ৪ জুন গুলজার বেগম বাদি হয়ে মৌলভী শফিউল আলম মাষ্টার, তার সন্তান মেহেদী ও ছোটন, স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে বিবাদি করে উপজেলা নিবার্হী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নিদের্শ দেন। তারা আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

মন্তব্য করুন

(বিঃ দ্রঃ আপনার ইমেইল গোপন রাখা হবে) Required fields are marked *

*

Shares