সর্বশেষ সংবাদঃ

ড. জগন্নাথ বড়ুয়া মৌলিক গবেষণা কর্মে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ গবেষক নির্বাচিত

এম বোধিরত্ন ভিক্ষু:
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রকাশিত মৌলিক গবেষণা প্রবন্ধ পুস্তকের ভিত্তিতে ইউজিসি (টএঈ) এওয়ার্ড প্রদান করে থাকেন।

২০১৫ইং সালে প্রকাশিত মৌলিক গবেষণা কর্মের জন্য কলা ও মানবিক শাখায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও গবেষক নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. জগন্নাথ বড়ুয়া।

আগামী ২ নভেম্বর ২০১৬ তারিখ বিকেল ৩.৩০ টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই ইউজিসি এওয়ার্ড প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ আবদুল হামিদ।

বিশেষ অতিথি হিসাবে থাকবেন মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী জনাব নুরুল ইসলাম নাহিদ, সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান।

স্বাগত ভাষণ প্রদান করবেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম।

উল্লেখ্য, ড. জগন্নাথ বড়ুয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে এবং বৌদ্ধদের মধ্যে এই প্রথম বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত মহামূল্যবান গবেষণা সম্মাননা ও এওয়ার্ড লাভ করার গৌরব অর্জন করেছেন।

সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত:
ড. জগন্নাথ বড়ুয়া, পিতা সুবল চন্দ্র বড়ুয়া, মাতা হেজতারা বড়ুয়া, চকরিয়া, কক্সবাজার। জন্ম ১৫ এপ্রিল ১৯৭৬ খ্রি.।

বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স ও এমফিল ডিগ্রি লাভ করেন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ফেলো হিসেবে ‘বাংলাদেশের বৌদ্ধ ইতিহাস (১৮০১-২০০০)’ শিরোনামে গবেষণা করে ২০১২ সালে পিএইচ ডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

এছাড়া বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড-ঢাকা থেকে ত্রিপিটক বিশারদ (সূত্র, বিনয় ও অভিধর্ম পিটক) ডিগ্রিও লাভ করেন।

তাঁর গবেষণার প্রধান বিষয় হলো পালি ভাষা, সাহিত্য, বৌদ্ধধর্ম-দর্শন, শিল্পকলা, বৌদ্ধ ইতিহাস, বৌদ্ধদের ধর্মীয়-সামাজিক ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের নৃত্তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও উত্তরবঙ্গের আদিবাসী ওঁরাও সম্প্রদায়ের জীবনধারা।

তাঁর একাধিক গবেষণামূলক গ্রন্থ ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ হলো- মহাকাব্য ও মহাকবি অশ্বঘোষের কাব্যাদর্শ, ২০০৯; উত্তরবঙ্গের প্রাচীন ইতিহাস ও আদিবাসী ওঁরাওদের জীবনধারা, ২০০৯; মহাপন্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়নের জীবন ও সাহিত্যকর্ম, ২০১০; বাংলা সাহিত্যে বৌদ্ধ চর্চার পটভূমি (সম্পা.), ২০১২; বৌদ্ধ সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস, ২০১৩ এবং গৌতম বুদ্ধের মহাজীবন ও ধর্মদর্শন, ২০১৩। বর্তমানে আরো কয়েকটি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশের অপেক্ষায়।

একাডেমিক, শিক্ষা, সাহিত্য, গবেষণা, কারিকুলাম, পান্ডুলিপি এবং ধর্মীয়-সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন সেমিনার- কর্মশালায় অংশগ্রহণ, প্রবন্ধ উপস্থাপন এবং বিষয় বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষক।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কলেজ, পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন, পরীক্ষা কমিটির সদস্য ও প্রধান পরীক্ষক হিসেবে কাজ করেন।

তাঁর একাধিক গবেষণামূলক গ্রন্থ ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে আরো কয়েকটি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশের অপেক্ষায়। একাডেমিক, শিক্ষা, সাহিত্য, গবেষণা, কারিকুলাম, পান্ডুলিপি এবং ধর্মীয়-সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন সেমিনার- কর্মশালায় অংশগ্রহণ, প্রবন্ধ উপস্থাপন এবং বিষয় বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষক।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কলেজ, পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন, পরীক্ষা কমিটির সদস্য ও প্রধান পরীক্ষক হিসেবে কাজ করেন।

বাংলাদেশ বিশ্বদিবদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের অধীনে গবেষণা প্রকল্প, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-ঢাকার অধীনে বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের বিশেষজ্ঞ হিসেবে কারিকুলাম, পাঠ্যপুস্তক, শিক্ষক নির্দেশিকা এবং শিক্ষাক্রম শিক্ষক নির্দেশিকা প্রণয়নে কাজ করেন।

সাহিত্যকর্মের অবদান হিসেবে বিভিন্ন সম্মাননা পুরস্কার ও ফেলোশিপ লাভ করেন। তিনি অধ্যাপনার পাশাপাশি একাধিক গবেষণা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের জীবন সদস্য এবং বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও মানব সেবামূলক কর্মে নিবেদিত।

মন্তব্য করুন

(বিঃ দ্রঃ আপনার ইমেইল গোপন রাখা হবে) Required fields are marked *

*

Shares