প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

মো: নাজমুল হুদা, বমুবিলছড়ি (চকরিয়া) :
গত ২৬ মে বিভিন্ন অনলাইন ওয়েব পোর্টাল বিডি২৪লাইভ ডটকম, ঢাকা এক্সপ্রেস, চকরিয়া নিউজ অনলাইন পত্রিকায় “ মসজিদের জায়গা দখলের অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মরহুম মৌলভী জালাল উদ্দীনের পরিবারের সদস্যবৃন্দ।

প্রতিবাদে তারা বলেন, ‘সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, “ বমু লম্বা ছড়া জামে মসজিদের জমিদাতা হিসাবে জাকের হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মো: ইসমাইল হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা মূলত বমু লম্বা ছড়া জামে মসজিদের জমিদাতা নন কিংবা কোন ধরণের জমি দান করেননি। মূলত মসজিদের জায়গা সরকারী খাস জমি। আমাদের পিতা মরহুম মৌলভী জালাল উদ্দীন ২৫ বছর পূর্বে এলাকার ধর্মপ্রান মুসুল্লিদের সহযোগীতায় ধর্মীয় কার্যাদি সম্পাদনের জন্য সরকারী খাস জায়গায় মসজিদটি নির্মান করে সমাজের সকলের সম্মতিক্রমে আমৃত্যু পর্যন্ত বিনা বেতনে উক্ত মসজিদের ইমামতি করেন। পরবর্তীতে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মুসুল্লিদের সম্মতিক্রমে উক্ত জায়গা মসজিদ ও মৌলভী জালাল উদ্দীনের নামে বন্দোবস্তী করানোর জন্য প্রস্তাব করেন। গত কিছুদিন পূর্বে আমাদের পিতা মারা যাওয়ায় খাস জায়গাটি বন্দোবস্তি করে যেতে পারেনি।

আরো উল্লেখ্য যে, আমাদের পরিবার বর্তমানে যে জায়গায় বসবাস করতেছে সেটা মূলত বনবিভাগের জায়গা। আমরা এই জায়গাটি সংস্কার করে দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগ দখলে স্থিত আছি। মূলত আমরা অসহায় এবং ভূমিহীন পরিবার। সমাজের ধর্মপ্রান মুসুল্লীদের সহযোগীতা ও সম্মতিক্রমে সরকারী খাস জায়গা আমাদের নামে বন্দোবস্তী পাওয়ার আবেদন করি। আমরা মসজিদের জায়গার উপর কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করিনি। কিছু মানুষ ইর্শ্বান্বিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন। প্রতিবেদক জমিদাতা এবং ইউনিয়ন সদস্যে মো. ইলিয়াছের যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

এর একাংশের প্রতিবাদে ইউপি সদস্য মো. ইলিয়াস ও জমিদাতা উল্লেখকারী মো. আনোয়ার হোসেন, জাকের হোসেন, মো: ইসমাইল হোসেন জানান, আমরা প্রতিবেদকে এই রকম কোন বক্তব্য দিইনি। সংবাদের এই অংশে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা আদৌ সত্য নয়, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

আমরা মরহুম মৌলভী জালাল উদ্দীনের পরিবারের পক্ষ থেকে এই ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।