মঙ্গলের আলো ছড়াতে হবে রামু সেনানিবাসকে-প্রধানমন্ত্রী

সোয়েব সাঈদ ও হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী,
স্টাফ রিপোর্টার, আমাদের রামু ডটকম:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘পবিত্র সংবিধান ও দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যান্তরীণ কিংবা বহি: বিশ্বের হুমকি মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।’

বৃহস্পতিবার ১০ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টায় কক্সবাজারের রামু সেনানিবাসে ১০ পদাতিক ডিভিশন এর অধিনন্ত ২ পদাতিক ব্রিগেডসহ সাতটি ইউনিটের পতাকা উত্তোলন শেষে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টা ২০মিনিটে রামু সেনানিবাসে হেলিকপ্টারে পৌঁছান। এসময় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক এবং ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সারোয়ার হাসান অভ্যর্থনা জানান।

22

পরে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের সম্পদ। মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক। তাই গুণগতমান অর্জনের জন্য আপনাদের সকলকে পেশাগত দক্ষ, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পন্ন মঙ্গলময় জীবনের অধিকারী হতে হবে। সেই সাথে মঙ্গলের আলো ছড়াতে হবে রামু সেনানিবাসকে।

আপনারা উর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, পারস্পরিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, কর্তব্যপরায়নতা, দায়িত্ববোধ এবং সর্বোপরি শৃঙ্খলা বজায় রেখে একনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’

12833

এর আগে রামু সেনানিবাসে ‘বীর স্মরণী’ নামক একটি নান্দনিক সড়ক, ১০ পদাতিক ডিভিশনের স্মৃতিধারক ‘অজেয়’ স্মৃতিস্তম্ভ ‘একটি মাল্টিপারপাস শেড ‘বীরাঙ্গনা’, ‘মাতামুহুরী’ নামের কম্পোজিট ব্যারাক এর শুভ উদ্বোধন ও চারটি এস এম ব্যারাকের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব:) তারিক আহমদ সিদ্দিকী, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, সংসদ সদস্যসহ, অসামরিক অতিথিবৃন্দ ও সকল স্তরের সেনা সদস্য উপস্থিত ছিলেন।