রামুর খুনিয়া পালংয়ে ভূমিদস্যু চক্র বেপরোয়া

এম.এ আজিজ রাসেল:
রামু উপজেলার খুনিয়া পালং এর তুলাবাগানস্থ কালারপাড়া এলাকার শত শত পরিবার ভূমিদস্যু-চাঁদাবাজ হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। কোন জায়গায় ঘর নির্মাণ করতে গিয়ে ভূমিদস্যুদের চাঁদা দিতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তা না হলে ঘর নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করছে এবং মাধরর করে আসছে।

অপরদিকে ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট এলাকার বিভিন্ন সরকারি খাস জমি ও ভেজাল জোত জমিও জবর দখল করে আসছে। সামাজিক বনায়ন থেকে শুরু করে পুরো খুনিয়া পালং এলাকায় জবর দখল, প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অপধরাপমূলক কর্মকান্ড করে যাচ্ছে উক্ত ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট। কেউ প্রতিবাদ করলে কথায় কথায় যুবলীগের ভয় দেখায় তারা। প্রশাসনকে উপেক্ষা করে তাদের অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগে জানা যায়, স্থানীয় মৃত ইছহাক আহমদের স্ত্রী মাকছুদা খাতুন (৭০) এর নামে আর,এস ও বি,এস খতিয়ান থেকে শুরু জমির সমস্ত কাগজপত্র আপটুডেট থাকা স্বত্বেও তাদের ওয়ারিশ ছেলে ছৈয়দ আলম, ছুরুত আলম, ফরিদ আলম, মেয়ে শামসুন নাহার, গুল বাহার, রাশেদা বেগমকে উক্ত ভূমিদস্যুরা জমি ভোগ দখলে বাধা সৃষ্টি করছে এবং জমি বিক্রিতে বাধা দিচ্ছে। তারা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে যে, জায়গা বিক্রি করতে হলে তাদেরকে চাঁদা দিতে হবে।

ভূমিদস্যুতায় অভিযুক্ত হলেন, খুনিয়া পালং তুলাবাগানস্থ কালারপাড়া এলাকার আবদুল গফুর এর ছেলে ফরিদুল আলম প্রঃ কুরা ফরিদ। তার সহযোগীরা হলো, একই এলাকার আবদুল আলীর ছেলে আবদুল হক, নুুরুলসহ আরো অজ্ঞাত ৭/৮ জন।

এই সিন্ডিকেটটি এলাকায় প্রকাশ্যে এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। উক্ত মাকছুদা খাতুন এর ওয়ারিশগণ তাদের ওয়ারিশী সম্পত্তি থেকে কিছুদিন পূর্বে কিছু জমি বিক্রি করলেও ভূমিদস্যুদের ভয়ে জমি ক্রেতারা জমি দখলে আসতে পারতেছে না।

ভূমিদুস্যরা মোটা অংকের চাঁদা দাবী করছে। এমনকি জমিতে স্থিত সাইনবোর্ড, ব্যানার ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছে ভূমিদস্যুরা। বর্তমানে তারা ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছে এবং দাবীকৃত চাঁদা না দিলে কোনমতে জমি বিক্রি কিংবা শান্তিপূর্ণভাবে জমি ভোগ দখল করতে দিবে না মর্মে হুমকি, ভয়-ভীতি অব্যাহত রেখেছে।

যে কোন মুহুর্তে উক্ত ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে মর্মে মাকছুদা খাতুনের ওয়ারিশগণ আশংকা করছে। তাই এব্যাপারে মাকছুদা খাতুনের পরিবার প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন এবং পাশাপাশি উক্ত ভূমিদস্যুদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।