কক্সবাজারে প্রতীক পেয়ে প্রচারণায় ৬৮ প্রার্থী

হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী :
কক্সবাজার জেলা পরিষদ নির্বাচনে দু’চেয়ারম্যানসহ ৬৮জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ হওয়া প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন তাঁরা।

আজ সোমবার (১২ডিসেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন।

আগামী ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে এক হাজার ৩জন জনপ্রতিনিধি তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ইতোমধ্যে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেও সদস্য পদের ১২ প্রার্থী স্বেচ্ছায় নিজেদের দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। আর যাচাই-বাছাইকালে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে ১২প্রার্থীর। ১২জনের মধ্যে আপিল করে ৩জন প্রার্থী মনোনয়নপত্রের বৈধতা পেয়েছেন।

মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং নানা কারণে বাতিল হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ৫ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আশরাফ জাহান কাজল, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়রম্যান শামশুল আলম, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নুরুল হক এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শফিক মিয়া।

নির্বাচন উপলক্ষে এর আগে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, সাধারণ সদস্য পদের ১৫টি আসনে ৭১ জন ও সংরক্ষিত ৫টি আসনে ২০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।

কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, সোমবার সকাল ১০টা থেকে বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। চেয়ারম্যান পদে ২ জন, সাধারণ সদস্য পদে ১২টি আসনের ৫১ জন ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৪ পদে ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তাঁদেরকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।

যারা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন তারা হলেন, চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোস্তাক আহমদ চৌধুরী (আনারস) ও জাপা মনোনীত এ.এইচ. সালাহউদ্দিন মাহমুদ (মোটর সাইকেল)।
এছাড়াও সংরক্ষিত মহিলা

আসন-১ আওয়ামী লীগ মনোনীত মাশরফা জান্নাত (বই), শিরিন ফারজানা (হরিণ) ও প্রীতি কণা শর্মা (ফুটবল)।

আসন-২ উম্মে কুলসুম (দোয়াত কলম), জাতীয় পার্টি মনোনীত আসমাউল হোসনা (ফুটবল), আওয়ামী লীগ মনোনীত সৈয়দা নিঘাত আমিন (বই)।

আসন-৩ শাহনা বেগম (হরিণ), রেহেনা বেগম (ফুটবল), আওয়ামী লীগ মনোনীত ফিরোজা বেগম (দোয়াত কলম), লুৎফুন নাহার (বই) ও আনোয়ারা বেগম (টেবিল ঘড়ি)।

আসন-৪ শাহেনা আকতার (ফুটবল), তাহমিনা চৌধুরী লুনা (হরিণ), রোমেনা আকতার (টেবিল ঘড়ি) ও হামিদা তাহের (মাইক)।

সাধারণ সদস্য পদে আসন-১ আওয়ামী লীগ মনোনীত মিজানুর রহমান (অটোরিক্সা), মাষ্টার আহামদ উল্লাহ (তালা), মনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী ( টিউবওয়েল) ও মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম ফরহাদ (হাতি)।

আসন-২ মু. কামাল উদ্দিন (তালা), মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী (টিউবওয়েল), আওয়ামী লীগ মনোনীত মোহাম্মদ রুহুল আমিন (বৈদ্যুতিক পাখা) ও লুৎফুর রহমান (উটপাখি)।

আসন-৩ আওয়ামী লীগ মনোনীত আনোয়ার পাশা চৌধুরী ( টিউবওয়েল), মোহাম্মদ আয়ুবর রহমান (তালা), শহিদুল ইসলাম মুন্না (হাতি) ও আজিজুল হক আজিজ (উটপাখি)।

আসন-৪ রিয়াজ খান রাজু (বৈদ্যুতিক পাখা), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (টিউবওয়েল), এ.টি.এম জায়েদ মোর্শেদ (হাতি), আবুল কাসেম (ক্রিকেট ব্যাট), মোহাম্মদ তারেক ছিদ্দিকী (তালা), মেহদি হাসান (অটোরিক্সা) ও আওয়ামী লীগ মনোনীত আবু হেনা মোস্তফা কামাল (ঘুড়ি)।

আসন-৫ জন্নাতুল বকেয়া (অটোরিক্সা), মোহাম্মদ বদরুদোজ্জা (ঘুড়ি), কমরউদ্দিন আহমদ (হাতি), এস এম জাহাঙ্গীর বুলবুল (তালা) ও মাহবুব রহমান (টিউবওয়েল)।

আসন-৬ নং এম আজিজুর রহমান (তালা), আওয়ামী লীগ মনোনীত আবু তৈয়ব (টিউবওয়েল)।

আসন-৭ জাহিদুল ইসলাম (তালা), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (অটোরিক্সা), আবদুর রহিম (টিউবওয়েল ), মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু (হাতি) ও আওয়ামী লীগ মনোনীত ওয়ালিদ মিল্টন (ঘুড়ি)।

আসন-৮ মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ চৌধুরী (অটোরিক্সা), আওয়ামী লীগ মনোনীত মোক্তার আহমদ চৌধুরী (তালা), আ.ন.ম আমিনুল এহছান (বৈদ্যুতিক পাখা), মোহাম্মদ ওমর ফারুক (ঘুড়ি) ও সোলতান আহমদ (অটোরিক্সা)।

আসন-৯ মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম (হাতি), মোহাম্মদ জুনায়েদ কবির (ঘুড়ি), সোহেল জাহান চৌধুরী (বৈদ্যুতিক পাখা), মিজানুল হক (তালা), আজিজুর রহমান (টিউবওয়েল) ও আওয়ামী লীগ মনোনীত মনজুরুল হক চৌধুরী (অটোরিক্সা)।

আসন-১০ নুরুজ্জামান (টিউবওয়েল), আওয়ামী লীগ মনোনীত উজ্জ্বল কর (অটোরিক্সা), রফিক উদ্দিন (বৈদ্যুতিক পাখা), মাহমুদুল করিম (তালা) ও মোহাম্মদ রুহুল আমিন (হাতি)।

আসন-১১ শামসুল আলম মন্ডল (তালা) ও আওয়ামী লীগ মনোনীত পলক বড়ুয়া (টিউবওয়েল)।

আসন-১৪ আওয়ামী লীগ মনোনীত হুমায়ুন কবির চৌধুরী (তালা) ও খাইরুল আমিন (টিউবওয়েল) ।