জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন (২য় রাউন্ড): জেলায় ৪ লাখ ২৯ হাজার ৪০৬ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

এম.এ আজিজ রাসেল:
জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় রাউন্ড শুরু হচ্ছে আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর। শনিবার সকাল ১০ টায় কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন।

এবার জেলায় মোট ১ হাজার ৯৫১ কেন্দ্রে ৪ লাখ ২৯ হাজার ৪০৬ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তার তার মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪৯ হাজার ৮০৩ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে নীল রঙের ক্যাপসুল। আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৬০৩ শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ উপলক্ষে ৮ ডিসেম্বর বেলা ১২ টায় ইপিআই ষ্টোর মিলনায়তনে সাংবাদিকদের অবহিতকরণ সভা আয়োজন করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সিভিল সার্জন ডাঃ পুঁচন’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ৮ উপজেলার ৭২ ইউনিয়নের ২১৯ ওয়ার্ডে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে এ কর্মসূচীতে স্বেচ্ছাসেবক ৫ হাজার ৪০৭, তত্বাবধায়ক ২১৯, স্বাস্থ্য সহকারি ২৩৫ ও পরিবার কল্যাণ সহকারী ২১১ জন কাজ করবে।

ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পুরো জেলায় ব্যাপক প্রচার করা হয়েছে। কর্মসূচীতে যেন কোন শিশু বাদ না পড়ে তার জন্য ক্যাম্পেইনের পরবর্তী ৪ দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জেলা হেল্থ সুপারভাইজার সিরাজুল ইসলাম সবুজের পরিচালনায় সভায় সিভিল সার্জন ডাঃ পুঁচনু বলেন, ভিটামিন এ অপুষ্টি জনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে। পাশাপাশি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ডায়রিয়া ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায়। শিশুদের মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।

সভায় মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের গুরুত্ব নিয়ে ব্রিফিং করেন ডাঃ রনজন বড়ুয়া রাজন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মহিউদ্দিন আলমগীরসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম কর্মীরা।