‘মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ সরকারের সময় এ ধরনের নির্যাতন হতাশ করে’

সংখ্যালঘুকে তার স্থান থেকে সরাতে পাহাড়ে সমতলে একই ধরনের নিপীড়ন চালাচ্ছে। আমার মনে হয় সবসময়ই একই গোষ্ঠী কাজটি করে আসছে। সম্প্রতিক সময়ে একের পর এক সাম্প্রদায়িক হামলার শিকার বাংলাদেশ। নাসিরনগরের হামলা, গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালদের ওপর হামলা, পার্বত্য চট্টগ্রামের হামলা, রামু সহিংসতা, এসব নিয়ে তারা কথা বলছেন। রানা দাশগুপ্ত বলছেন, আদিবাসীদের ওপর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষের অ্যাত্যাচার হয় রোজ, আমরা দেখতে পাইনি।খবর বাংলা ট্রিবিউনের।

বাংলা ট্রিবিউন আয়োজিত নিয়মিত বৈঠকি ‘অধিকার: সংখালঘু সংখ্যাগুরু’ শীর্ষক আয়োজনে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রনাদাশগপ্ত সাম্প্রতিক সহিংসতার স্থানগুলো পরিদর্শন করে এসে তার অভিজ্ঞার কথা জানান। রানা দাশাগুপ্ত আমরা এটুকু বলতে চাই সংখ্যা শব্দের আগে ধর্মীয় ও জাতিগত শব্দ যোগ করতে হবে। তাহলে সমস্যার অনেক সমাধান হবে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ পক্ষের এই আমলেও আমরা দেখতে পাচ্ছি সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে মিলেমিশে ক্ষমতা চর্চা করছে। লুটতরাজের সংস্কৃতি মূল লক্ষ্য ব্যক্তিস্বার্থ ও সম্পত্তি অর্জন। রানা দাশাগুপ্ত আমরা এটুকু বলতে চাই সংখ্যা শব্দের আগে ধর্মীয় ও জাতিগত শব্দ যোগ করতে হবে। তাহলে সমস্যার অনেক সমাধান হবে।

নাসিরনগরের হামলা, গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালদের ওপর হামলার ঘটনাসহ সর্বশেষ গোয়ালন্দে মন্দিরে হামলার ঘটনায় সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে। কার অধিকার আর কিসের অধিকার কে রক্ষা করছে এবং কীভাবে আসলে রাষ্ট্রের রক্ষার দায়িত্ব এসব নিয়েই আজকে বৈঠকিতে আলোচনা করছেন এর সঙ্গে সম্পৃক্ত অধিকারকর্মী, গবেষক, আইনজীবী থেকে শুরু করে দেশের সংখ্যালঘুদের অধিকার আদায়ে যারা নিরন্তর কাজ করছেন তারা। মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে অংশ নিচ্ছেন হিন্দু বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত, আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী রুমীন ফারহানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাদেকা হালিম এবং জোবাইদা নাসরীন, আদিবাদী নেতা সঞ্জী দ্রং ও রবীন্দ্রনাথ সরেন এবং বাংলা ট্রিবিউনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জুলফিকার রাসেল।