ছয় মাসের জামিনে মুক্ত সাংসদ বদি

১৮ দিন কারাবাসের পর মুক্তি পেলেন সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় দণ্ডিত সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি।

রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে ছাড়া পান কক্সবাজার-৪ আসনের সরকার দলীয় এই সাংসদ।

দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় গত ২ নভেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত বদিকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়। সেইসঙ্গে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করে।

রায়ের পর আদালত থেকে বদিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ পাঠানো হয়। এরপর বদি গত ১৫ নভেম্বর হাই কোর্টে আপিল করে ছয় মাসের জামিন পান।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর জেলার মো. নাসির আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আজ (রোববার) বিকালে জামিনের কাগজপত্র কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছালে তা যাচাই-বাছাই শেষে রাত পৌনে ৯টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।”

দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মো. আব্দুস সোবহান ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার রমনা থানায় সাংসদ বদির বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

তদন্ত শেষে দুদকের উপ-পরিচালক মঞ্জিল মোর্শেদ ২০১৫ সালের ৭ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

অভিযোগপত্রে বদির ৬ কোটি ৩৩ লাখ ৯৪২ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য তুলে ধরা হয়। বলা হয়, তিনি দুদকের কাছে ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৭ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

রায়ে অতিরিক্ত সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ থেকে আদালত বদিকে খালাস দিলেও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাজার আদেশ দেয়।