পর্যটন বিকাশে বাধা সন্ত্রাসী হামলা

সম্প্রতি দেশে সন্ত্রাসী হামলা ও বিদেশি হত্যার ঘটনাকে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিকাশের ক্ষেত্রে মূল বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

তিনি বলেছেন, ‘২০১৬ সালকে আমরা পর্যটন বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছি। বিশেষ করে বিদেশিদের কাছে আমাদের পর্যটন স্থানগুলো তুলে ধরতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি।’রিপোর্ট রাইজিংবিডির।

রোববার দুপুরে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশন (পাটা) নিউ ট্যুরিজম ফ্রন্টিয়ার্স ফোরাম-২০১৬ উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। ফোরামের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ সরকারের বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘২০১৬ সালকে আমরা পর্যটন বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছি। বিশেষ করে বিদেশিদের কাছে আমাদের পর্যটন স্থানগুলো তুলে ধরতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছি। এর মধ্যে ২০১৫ সালে ছিল কক্সবাজারে বুড্ডিস্ট সার্কিট সম্মেলন এবং এ বছর তিন দিনব্যাপী বিচ কার্নিভাল। অথচ আমাদের এসব কার্যক্রম কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলার জন্য ভেস্তে গেছে। বুড্ডিস্ট সার্কিট সম্মেলনের সময় দুজন বিদেশি নাগরিককে হত্যা করা হলো। আর গুলশানে হলি আর্টিজানে হামলার পর বাংলাদেশের প্রতি মানুষের ভীতি তৈরি হওয়া শুরু হলো। এ জন্য আমরা আশানুরূপ বিদেশি পর্যটক এ বছর পাচ্ছি না।’

তিনি বলেন, ‘বছরের শুরুতে আমাদের অনেক পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সন্ত্রাসী হামলার কারণে আমাদের সেসব পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হচ্ছে।’

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে ট্যুরিজম বোর্ডর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আখতারুজ জামান খান কবির বলেন, ‘কক্সবাজারে দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পাটা নিউ ট্যুরিজম ফ্রন্টিয়ার্স ফোরাম। আগামী ২৪ ও ২৫ নভেম্বর এ ফোরাম অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশ-বিদেশের প্রায় ২০০ ডেলিগেট উপস্থিত থাকবেন, যারা ট্যুরিজমের সঙ্গে সম্পৃক্ত।’

তিনি আরো বলেন, ‘ফোরামে যেসব বিদেশি অতিথি আসবেন তাদের কাছ থেকে আমরা অভিজ্ঞতা অর্জন করে তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব। আমাদের দেশের যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্যুরিজম বিষয়ে সম্মান কোর্স আছে, সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ ফোরামে অংশ নেবেন। ফলে ভবিষ্যতে পর্যটনশিল্পের বিকাশে ও নেতৃত্বে আমাদের শিক্ষার্থীরা সকল কলাকৌশল রপ্ত করতে পারবেন।’