দেশী-বিদেশী পর্যটকদেরকে হাত ছানি দিয়ে ডাকছে টেকনাফের সৌন্দর্য্যের লিলাভুমি কুদুম গুহা

গিয়াস উদ্দিন ভুলু , টেকনাফ:
বিশ্বের দীর্ঘতম পর্যটন নগরী হিসাবে খ্যাত কক্সবাজার জেলা, এই জেলাটির আনাচে-কানাছে প্রতিটি উপজেলা প্রাকৃতিক দৃশ্যে ঘেরা লিলা ভুমি। তাই প্রতি বছর হাজার হাজার দেশী-বিদেশী ভ্রমন পিপাসু পর্যটকের আগমন ঘটে এই সৌন্দর্যের লিলা ভুমিটি দেখার জন্য।

৮ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলা। তবে ভ্রমনে আসা পর্যটকদেরকে সব চেয়ে বেশি আকৃষ্ট করছে প্রাকৃতিক দৃশ্যে ঘেরা সীমান্ত নগরী টেকনাফ উপজেলা। কারণ এই উপজেলাটিতে রয়েছে পর্যটকদের আকর্ষণ করার মত বেশ কয়েকটি সৌন্দর্যের নির্দশন করা জায়গা এবং ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য বেশ কয়েকটি হ্নদয় নিংড়ানো পর্যটন স্পট। যেমন প্রবালদ্বীপ সেন্টমাটিন, ছেড়াদ্বীপ, জলাই্যা দ্বীপ, বিংশ শতাদ্বীর অমর প্রেম কাহানীর সাক্ষী টেকনাফ ঐতিহাসিক মাথিনের কুপ, তার পাশাপাশি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতটি টেকনাফ উপজেলায়।

এর মধ্যে প্রাকৃতিক পাহাড়ে ঘেরা গহীন অরণ্যে অবস্থিত পর্যটকদের দেখার মত অন্যতম নিদর্শন হচ্ছে কুদুম গুহা। এই গুহাটি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে রইক্ষ্যং এলাকায় অবস্থিত। তার পাশাপাশি কুদুম গুহাটি যে পাহাড়ে সৃষ্টি হয়েছে সেই পাহাড়টি টেকনাফ নাফনদী ও বঙ্গোপসাগর সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায় এক হাজার ফুট উপরে।

এই পাহাড়টি উপরে অবস্থান করলে বঙ্গোপসাগর, নাফ নদী ও পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের প্রাকৃতিক দৃশ্য গুলো উপভোগ করা যায়। এটি বাংলাদেশের একমাত্র বেলেমাটির পাহাড়ি গুহা। এই কুদুমগুহাতে আরো রয়েছে প্রচুর সংখ্যক বাদুড়। তাই এই গুহাটিকে অনেকে বাঁদুড় গুহা হিসাবে চিনে। গুহাটির ভিতর প্রবেশ করলে আপনি অল্প সময়ের মধ্যে হারিয়ে যাবেন সেই আদিম যুগে।

এছাড়া পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মত রয়েছে টেকনাফ নেচার পার্ক। এই পার্কের চারিদিকে রয়েছে অপরুপ সৌন্দর্য্যের দৃশ্যে ঘেরা বড় বড় বেশ কয়েকটি পাহাড়।

কুদুমগুহা দেখতে আসা বেশ কয়েকজন পর্যটক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিভিন্ন জায়গার পর্যটক এলাকাকে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে উন্নয়নের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছেন। কিন্তু টেকনাফের কুদুমগুহার মতো দৃষ্টিনন্দন স্থান দেশের কোনো জায়গায় নেই। তাই আমরা মনে করি এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ঘেরা কুদুম গুহাটিকে আরো পর্যটকবান্ধব করে গড়ে তোলার জন্য উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন।